পৌঁছে দেব বাংলা ভাষার কাব্য কথা পৃথিবীর সব প্রান্তরে

কেন

এই প্রয়াস?

ছোট বেলা থেকেই বই পড়ার প্রচন্ড আগ্রহ আমার। সেই প্রাইমারী স্কুল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত কোন একটা দিন নেই যেদিন আমি বই পড়িনি। বড় হয়ে যখন কর্মজীবনের শুরু করেছিলাম তখনও নিয়মিত বই পড়েছি। কেন বই পড়েছি বা এখনও পড়ে চলেছি তার কারন বলতে গেলে বলতে হয়ঃ

বই পড়তে ভালো লাগে

নতুন কিছু জানতে পারি

মনে অনেক আনন্দের সঞ্চার হয়

জ্ঞানার্জন হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

আরও অনেক কিছুই বলা যায় কিন্তু লেখক গুস্তাভ ফ্লবার্টের (*ফ্লবেয়ার) বলা কথাটা যেন আমার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে পুরোপুরি। “শিশুদের মত শুধু আনন্দের জন্য বই পড়বেন না অথবা উচ্চাকাঙ্খীদের মত নির্দেশ পাবার জন্য পড়বেন না, পড়ুন জীবনকে জানার জন্য।” আমি বিশ্বাস করি বই জীবনকে উৎকর্ষ দেয়।

সময়ের স্রোতে দেশ থেকে বিদেশে পারি, এখানে বাংলা বই পাওয়াটা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছিলো। তখন ইংরেজী বই পড়া শুরু করেছি এবং বাংলা বই যখন যেভাবে পারি যোগার করে পড়ি। এই প্যান্ডেমিক আমাাদের জীবন যাপনের জানা অজানা পথগুলোকে বদলে দিয়েছে। যখন লকডাউনে ঘরে আটকে ছিলাম, সেই সময়ে একটা চিন্তা মাথায় এসেছিলো।

“ছড়িয়ে দেবো বাংলা ভাষার কাব্যকথা পৃথিবীর সব প্রান্তরে।”

স্মার্ট টেকনোলজি তথ্য সমূদ্র আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। বাংলা বইকে প্রকৃত ভাবেই বৈশ্বিক এবং সমসাময়িক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলার প্রয়োজনেই এই প্রয়াস। আমি শুরু করেছি একজন ব্যক্তি হিসাবে কিন্তু আশা করি ভবিষ্যতে এর বিস্তার হবে এবং সমমনা মানুষেরা সমৃদ্ধ করবে এই প্রয়াস। ওয়েব সাইট, বই কনভার্সন, বড় বড় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের এফিলিয়েট হওয়াটা সবই আমার একক ভাবে করা। বিশেষত ওয়েবসাইট ও ই-বুক কনভার্সন করার পদ্ধতি জানতাম না তবে আস্তে আস্তে শিখেছি ইউটিউব থেকে। আগামী দশ বছরে এই প্রয়াসের মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন বই প্রকাশ হবে এবং প্রকাশিত বইয়ের একটি সংগ্রহশালা হবে সবাই চেষ্টায় যাতে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে যখন খুশী তখনই পছন্দের বইটি পড়তে পারেন একজন বাংলাভাষী বইপ্রিয় মানুষ।

আপনি যদি ই-বইয়ের সংগ্রহশালা তৈরীতে সাহায্য করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে যোগাযোগ করুন।